শরীয়তপুর ইসলামি যুব সোসাইটি

শরীয়তপুর ইসলামি যুব সোসাইটি একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক শিক্ষা, দাওয়াহ ও পূর্ণত মানবকল্যাণে নিবেদিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান মানবতার শিক্ষক, মানুষের মুক্তি ও শান্তির দূত, মানবসেবার আদর্শ, মহানবী মুহাম্মদ সা.-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আর্তমানবতার সেবা, সমাজ সংস্কার, মহত্তম নীতিচেতনার সঞ্চার, কর্মসংস্থান তৈরি, দারিদ্র্য বিমোচন, ইসলামী তমদ্দুনের প্রসার, বহুমুখী শিক্ষায়ন প্রকল্প পরিচালনা, ত্রাণ বিতরণ, স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, পরিচ্ছন্ন মানসিকতা গঠনে নিরন্তর নানা কর্মসূচি পালন, সর্বোপরি মৌখিক, লৈখিক ও আধুনিক সকল প্রচারমাধ্যম ব্যবহার করে মানুষকে মহান আল্লাহর আনুগত্য ও তাঁর রাসূলের অনুকরণে সত্য ও শান্তির পথে ডেকে এনে একটি আদর্শ কল্যাণসমাজ বিনির্মাণে যথাশক্তি প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

শিক্ষা

সেবা

দা‘ওয়াহ

শরীয়তপুর ইসলামি যুব সোসাইটির রক্তদাতাদের ডাটাবেস। রক্তের প্রয়োজনে এই ওয়েবসাইট থেকে রক্তদাতা খুঁজে নিন ..

আপনি জানেন কি?


রক্ত কৃত্তিমভাবে তৈরী করা যায় না, শুধুমাত্র একজন মানুষই পারে আরেকজন মানুষকে বাঁচাতে। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার, প্রতিবছর বহুসংখ্যক মানুষ মারা যাচ্ছে জরুরি মুহুর্তে প্রয়োজনীয় রক্তের অভাবে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি বছর রক্তের প্রয়োজন মাত্র ৯ লাখ ব্যাগ। অথচ জনবহুল এই দেশে এখনো মানুষ মারা যাচ্ছে রক্তের অভাবে। রক্তের এই চাহিদা খুব সহজেই পূরণ করা সম্ভব হবে যদি আমাদের দেশের সকল প্রান্তের পূর্ণবয়স্ক মানুষদের রক্তদানের প্রয়োজনীয়তা এবং সুফলতা বুঝিয়ে সচেতন করা যায়।একজন মুমূর্ষু রোগীকে তার প্রিয়জনের মাঝে সুস্থভাবে ফিরিয়ে আনা থেকে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না। জরুরি রক্তের প্রয়োজনে মুমূর্ষু রোগীদের পাশে থাকুন। যারা রক্তদানে ইচ্ছুক, দয়া করে এই ওয়েবসাইটটিতে রক্তদাতা হিসাবে রেজিস্ট্রেশন করুন। জরুরি রক্তের প্রয়োজনে রোগীরাই আপনাকে খুঁজে নিবে। হ্যাপি ব্লাড ডোনেটিং। …”রক্তদান ঐচ্ছিক বিষয় নয়, এটি দায়িত্বের চেয়েও বেশি কিছু”

কেন রক্তদান করবেন?

১..

প্রথম এবং প্রধান কারণ, আপনার দানকৃত রক্ত একজন মানুষের জীবন বাঁচাবে। রক্তদানের জন্য এর থেকে বড় কারণ আর কি হতে পারে !

২..

হয়তো একদিন আপনার নিজের প্রয়োজনে/বিপদে অন্য কেউ এগিয়ে আসবে।

৩..

নিয়মিত রক্তদানে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কম।

৪..

নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে বিনা খরচে জানা যায় নিজের শরীরে বড় কোনো রোগ আছে কিনা। যেমন : হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, এইচআইভি (এইডস) ইত্যাদি।

৫..

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকগুন বেড়ে যায়।

৬..

রক্তদান ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত পুণ্যের বা সওয়াবের কাজ। পবিত্র কোরআনের সূরা মায়েদার ৩২ নং আয়াতে আছে, ‘একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সমগ্র মানব জাতির জীবন বাঁচানোর মতো মহান কাজ।’

৭..

নিজের মাঝে একধরনের আত্মতৃপ্তি উপলব্ধি করতে পারবেন । "আমাদের ছোট পরিসরের এই জীবনে কিছু একটা করলাম" এই অনুভুতি আপনার মনে জাগ্রত হবে এই ব্যাপারে নিশ্চিত করছি :)

কারা রক্তদান করতে পারবেন?

১..

১৮ বছর থেকে ৬০ বছরের যেকোনো সুস্থদেহের মানুষ রক্ত দান করতে পারবেন।

২..

শারীরিক এবং মানসিক ভাবে সুস্থ নিরোগ ব্যক্তি রক্ত দিতে পারবেন

৩..

আপনার ওজন অবশ্যই ৫০ কিলোগ্রাম কিংবা তার বেশি হতে হবে।

৪..

মহিলাদের ক্ষেত্রে ৪ মাস অন্তর-অন্তর, পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩ মাস অন্তর অন্তর রক্ত-দান করা যায়।

৫..

রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ, রক্তচাপ ও শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে হবে।

৬..

শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগ এ্যাজমা, হাপানি যাদের আছে তারা রক্ত দিতে পারবেন না।

৭..

রক্তবাহিত জটিল রোগ যেমন-ম্যালেরিয়া, সিফিলিস , গনোরিয়া, হেপাটাইটিস , এইডস, চর্মরোগ , হৃদরোগ , ডায়াবেটিস , টাইফয়েড এবং বাতজ্বর না থাকলে।

৮..

আপনাকে চর্মরোগ মুক্ত হতে হবে।

৯..

মহিলাদের মধ্যে যারা গর্ভবতী নন এবং যাদের মাসিক চলছে না।

১০..

আপনাকে অবশ্যই হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, এইডস, ক্যান্সার, যক্ষা, সিজোফ্রেনিয়া এবং ম্যালেরিয়া রোগমুক্ত হতে হবে।

১১..

কোন বিশেষ ধরনের ঔষধ ব্যবহার না করলে। যেমন- এ্যান্টিবায়োটিক।

আপনার প্রয়োজনীয় রক্তের গ্রুপের দাতা এখান থেকে খুঁজুন

চলুন একসাথে একটি পরিবর্তন আনি

Card image 1
ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি

ইফতার সামগ্রী বিতরণ শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটির নিয়মিত কর্মসূচির একটি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অভাবী সিয়াম পালনকারীরা যেন রামযান মাসে নির্বিঘ্নে সিয়াম পালন ও ইবাদত-বন্দেগী করতে পারেন, সে লক্ষ্যে তাদের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ইফতার করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো সিয়াম পালনকারীকে ইফতার করাবে তাকে সিয়াম পালনকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব দেওয়া হবে। তাতে সিয়াম পালনকারীর সাওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না। (সুনান তিরমিযী: হাদীস-৮০৭; সুনান ইবনু মাজাহ: হাদীস-১৭৪৬) ইফতার সামগ্রীর মধ্যে থাকে,ছোলা,মুড়ি,চিড়া,খেজুর,চিনি, ইসবগুলের ভূসি ইত্যাদি।

দান করুন
Card image 1
শীতবস্ত্র বিতরণ

ইসলামের অন্যতম শিক্ষা মানবসেবা। কনকনে শীতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় শীতার্ত মানুষদের একটুখানি উষ্ণতা এনে দিতে শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি প্রতি বছর আয়োজন করে ‘শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি’।রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘দয়াবান লোকদের পরম করুণাময় আল্লাহও দয়া করেন। তোমরা জমিনবাসীর প্রতি সদয় হও, আসমানবাসী তোমাদের প্রতি সদয় হবেন।’ (সুনান আবু দাউদ: হাদীস-৪৯৪১; সুনান তিরমিযী, হাদীস-১৯২৪)শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি প্রতিটি স্পটে শীতবস্ত্র বিতরণের সময় মানুষকে বিশুদ্ধ ইসলাম পালনে উদ্বুদ্ধ করে থাকে। ঈমান-আকীদা, সালাত-সিয়ামের গুরুত্ব, নীতি-নৈতিকতা ও সততার অপরিহার্যতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নসিহাহ পেশ করা এবং ক্ষেত্রবিশেষ দাওয়াতি বই ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।

দান করুন
Card image 1
সাদাকাহ জারিয়াহ

সাদকাহ জারিয়াহ মানে— যে দানের উপকারিতা শুধু এককালীন নয়; বরং দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকে। যে দানের উপকারিতা একবারই অর্জিত হয়, সেগুলোর সওয়াবও একবারই হয়। পক্ষান্তরে যে দানের উপকারিতা দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকে, সেগুলোর সাওয়াব তথা বিনিময়ও মহান আল্লাহ দীর্ঘদিন পর্যন্ত অব্যাহত রাখেন। আবু হুরায়রাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যখন মানুষ মৃত্যুবরণ করে তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিন প্রকার আমল ছাড়া। ১. সাদাকাহ জারিয়াহ; ২. এমন ইলম বা জ্ঞান যার দ্বারা অন্যের উপকার হয়; ৩. পুণ্যবান সন্তান যে তার জন্যে দু'আ করতে থাকে’। (সহীহ মুসলিম: হাদীস-১৬৩১) শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটির সাদাকায়ে জারিয়াহ প্রকল্পসমূহের মধ্যে রয়েছে মসজিদ-মাদরাসা নির্মাণ, বৃক্ষ রোপন, দীনি বই-পুস্তক বিতরণ ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ নির্মাণ ইত্যাদি। এসব প্রকল্পের নির্দিষ্ট কোনো একটির দায়িত্ব এককভাবে নেওয়া যায়। আবার কেউ চাইলে সাদাকাহ জারিয়াহ খাতে যে কোনো পরিমাণ দান করতে পারেন। সে অর্থ কতৃপক্ষ সাদাকা জারিয়াহর যে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজন অনুভব করবেন সে খাতে ব্যয় করবেন।

দান করুন
Card image 1
রক্তদান কর্মসূচি

মানব সেবা মহান আল্লাহকে খুশি করার অন্যতম মাধ্যম। নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত ইত্যাদি ইবাদতের মাধ্যমে যেমন আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়, পাপমুক্ত হওয়া যায়। তেমনি মানব সেবার মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়। এ জন্যই মহান আল্লাহ বান্দাদের উদ্দেশ্য করে পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘পূর্ব ও পশ্চিমে মুখ ফেরানোটাই সৎকর্ম নয়; বরং প্রকৃত সৎকর্মশীল ওই ব্যক্তি, যে বিশ্বাস স্থাপন করে আল্লাহ, পরকাল, ফেরেশতামণ্ডলী, আল্লাহর কিতাব ও নবীদের ওপর এবং যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে সম্পদ ব্যয় করে নিকটাত্মীয়, এতিম, মিসকিন, মুসাফির, প্রার্থী ও দাসমুক্তির জন্য। ’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৭৭) মানুষের জীবন বাঁচাতে কোনো রকম বিনিময় ছাড়া আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় রক্তদানও একটি মহান ইবাদত। কেউ যদি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় এই ইবাদত করতে পারে, তাহলে সে মহান আল্লাহর কাছে এর উত্তম প্রতিদান পাবে ইনশাআল্লাহ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, আর যে মানুষের প্রাণ বাঁচালো, সে যেন তামাম মানুষকে বাঁচালো। (সুরা মায়েদা, আয়াত : ৩২) যদিও আমরা সোসাইটির পক্ষ থেকে এখনো রক্তদান কর্মসূচি চালু করতে পারিনি তবে আমাদের কর্মপরিকল্পনা এটা রয়েছে। শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি খুব শীঘ্রই এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে ইনশাআল্লাহ।

দান করুন
Card image 1
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

গাছ লাগানোর গুরুত্ব ও ফযীলত ও অপরিসীম। এটি একটি সাদাকায়ে জারিয়ামূলক নেক কাজ। যদি কেউ মানুষ কিংবা প্রাণীকূলের উপকার সাধনের লক্ষ্যে ফলজ, বনজ বা ঔষধি গাছ রোপণ করে এবং এর মাধ্যমে সাওয়াব আশা করে, তবে এটি একটি উত্তম সাদাকায়ে জারিয়াহ; যার সওয়াবের ধারা ব্যক্তির মৃত্যুর পরও অব্যাহত থাকতে পারে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যদি কোনো মুসলমান একটি বৃক্ষ রোপণ করে অথবা কোনো শস্য উৎপাদন করে এবং তা থেকে কোনো মানুষ কিংবা পাখি অথবা পশু ভক্ষণ করে, তাহলে তা সে ব্যক্তির জন্য সাদাকাস্বরূপ।’ (সহীহ বুখারী: হাদীস-২৩২০, সহীহ মুসলিম: হাদীস-১৫৫৩) শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি সাধারণত বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা এবং স্কুল মাঠে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর চেষ্টা করে। যাতে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি মানুষ তা থেকে উপকার লাভ করতে এবং ফল বিক্রি করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামগত উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারে।

দান করুন

চলমান প্রজেক্ট

Card image 1
ইফতার সামগ্রী বিতরণ

ইফতার সামগ্রী বিতরণ শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটির নিয়মিত কর্মসূচির একটি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অভাবী সিয়াম পালনকারীরা যেন রামযান মাসে নির্বিঘ্নে সিয়াম পালন ও ইবাদত-বন্দেগী করতে পারেন, সে লক্ষ্যে তাদের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ইফতার করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো সিয়াম পালনকারীকে ইফতার করাবে তাকে সিয়াম পালনকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব দেওয়া হবে। তাতে সিয়াম পালনকারীর সাওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না। (সুনান তিরমিযী: হাদীস-৮০৭; সুনান ইবনু মাজাহ: হাদীস-১৭৪৬) ইফতার সামগ্রীর মধ্যে থাকে,ছোলা,মুড়ি,চিড়া,খেজুর,চিনি, ইসবগুলের ভূসি ইত্যাদি।

আমাদের কার্যক্রম

প্রতিবেদন

শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি

কুরআন তিলাওয়াত আব্দুর রাফি বিন রহমত

শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি রাজনৈতিক সংগঠন নাকি সেবামূলক সংগঠন?

সংগঠনে সাধারণ সদস্য, দাতা সদস্য এবং আজীবন সদস্য হওয়ার নিয়ম

গ্যালারী